নিজস্ব প্রতিবেদক
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় গত জানুয়ারি মাসে ১৯টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং ৩ লাখ ৭৭ হাজার ২শত টাকা জরিমানা আদায় সেই সাথে দুইজনকে কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।
লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেনের নেতৃত্বে এসব ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। উপজেলা কর্মকর্তা হিসেবে মোঃ জাকির হোসেন যোগদানের পর থেকেই বদলে যাচ্ছে লৌহজংয়ের চিত্র। সাধারণ মানুষ ব্যাপকভাবে এগিয়ে আসছে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে। দুর্নীতিবাজ ও অপরাধীদের কাছে তিনি যেন এক মূর্তিমান আতঙ্ক। যেখানে দুর্নীতি, যেখানেই অপরাধ, কাল বিলম্ব করছেন না ছুটে যাচ্ছেন সেখানেই। করছেন জেল জরিমানা অর্থদন্ড এবং সতর্ক, কেউ কেউ আবার মুচলেকা দিয়ে শুধরে নিচ্ছেন নিজেকে। তার এই কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ।
উপজেলাবাসীর সাথে কথা বললে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তারা বলেন, ইউএনও স্যারের জন্য লৌহজংয়ে অবৈধ মাটি বিক্রয় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে রক্ষা পাচ্ছে কৃষিজমি। অবৈধ দখলদারদের থেকে খালের মুখ অবমুক্ত করে চাষের জমি থেকে সময়মত পানি নামতে পারায় কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তারা। এছাড়া একের পর এক মাদকসেবী এবং মাদক সেবনের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়ায় সাধুবাদ জানিয়েছে সবাই।
এ বিষয়ে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি অন্যায়কে প্রশ্রয় দেই না। যেখানে দুর্নীতি এবং অপরাধ, তথ্য পাওয়ার সাথে সাথে সেখানেই ব্যবস্থা নিচ্ছি। অবৈধ মাটির ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে। মাদকসেবীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ীদের সনাক্ত করে দেশের প্রচলিত আইনে সাজা দেওয়া হচ্ছে। লৌহজং উপজেলাকে দুর্নীতি ও অপরাধ মুক্ত করার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছি।
এসময় ইউএনও মোঃ জাকির হোসেন উপজেলাবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে সব ধরনের অসঙ্গতির তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে করা ১৯টি মামলায় মোট ৩ লাখ ৭৭ হাজার ২শত টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, বালু মহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ও ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার করে পার্সোনাল চেম্বারে রোগী দেখা ডাক্তার, এছাড়া দু’জনকে ভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।
লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে একমাসে ১৯টি ভ্রাম্যমাণ আদালত ; ৩ লাখের অধিক জরিমানা
আগের পোস্ট