নিজস্ব প্রতিবেদক
আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আজ বৃহস্পতিবার স্বপ্নের পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যানটি বসবে। রাজধানী ঢাকার সাথে দক্ষিণের ২১ জেলার মানুষের দ্রুত ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে ঐ অঞ্চলের মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে। শেষ স্প্যান বসানোকে কেন্দ্র করে সেতুর দুইপাড়ের মানুষের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে। পদ্মা সেতুতে আজ বৃহস্পতিবার মাওয়া প্রান্তে বসবে ৪১ তম স্প্যান। ইতিমধ্যে স্প্যানটি প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে শেষ হবে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর মূল অবকাঠামোর কাজ। দৃশ্যমান হবে মোট ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের পদ্মা সেতু। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর একে একে বসানো হয় স্প্যানগুলো। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী ২০২১ সালেই খুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। মোট ৪২টি পিয়ারে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। সবকটি পিয়ার এরই মধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) এবং নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। দুটি সংযোগসড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের আবদুল মোমেন লিমিটেড।
২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর একে একে বসানো হয় স্প্যানগুলো। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী ২০২১ সালেই খুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। মোট ৪২টি পিয়ারে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। সবকটি পিয়ার এরই মধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ।
লৌহজং মাওয়ার শিমুলিয়া ঘাটের মর্তুজা মোল্লা বলেন, পদ্মা সেতু চালু হলে দক্ষিণের ২১টি জেলার সাথে রাজধানী ঢাকার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক উন্নত হবে এবং দ্রুত অল্প সময়ের মধ্যে ঢাকায় চলে আসতে পারবে। লৌহজংয়ের মেদেনীমন্ডল এলাকার দিদার হোসেন বলেন, স্বপ্নের পদ্মা সেতু চালু হলে শুধু উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ছাড়াও বেকার ও কর্মহীন মানুষের কর্মসংস্থান হবে এবং দক্ষিণের অভাবী ও অসহায় মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন হবে।
স্বপ্নের পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যান বসছে আজ
আগের পোস্ট