নিজস্ব প্রতিবেদক
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে মুক্তমনা লেখক ও বিশাখা প্রকাশনীর মালিক ব্লগার শাহজাহান বাচ্চুর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শাহজাহান বাচ্চুর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করাসহ স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় সিরাজদিখান-মালখানগর জনসন সড়কের পূর্ব কাকালদী তিন রাস্তার মোড়ে এ স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। শাহজাহান বাচ্চুর প্রথম স্ত্রী লুৎফা আক্তার কাঁকনের সভাপতিত্বে ও মুজিব রহমানের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন সিরাজদিখান উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সুব্রত দাস রনক, শ.ম. কামাল হোসেন, নূরে আলম বিপ্লব, মোঃ জামাল হোসেন খান, সান্দ্র মোহন্ত, সমর দত্ত, আনিসুর রহমান, শেফালী বেগম, বাদল মোল্লা, মিলন মিয়া, সাংবাদিক লতা রানী মন্ডল প্রমুখ।
এসময় সাংবাদিক সুব্রত দাস রনক বলেন, মুক্তমনা লেখক ও বিশাখা প্রকাশনীর মালিক শাহজাহান বাচ্চু ভাই আজ আমাদের মাঝে নেই, এ কথা ভাবতেই যেন নিথর হয়ে পড়ি। সংবাদটি ওইদিন আমার কাছে বজ্রাঘাতের মতো ছিল। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই ব্লগার জ্ঞানতাপসকে শুধু শ্রদ্ধার চোখেই দেখতাম না, তাকে তার মননশীল লেখার কারণেই নমস্ব মনে করতাম। তার মতো একজন বড় মাপের মানুষের মূল্যায়ন করা, তাকে নিয়ে পর্যালোচনা করা আমার পক্ষে সহজ নয়। আমার মতো নগণ্যজনকেও তিনি যেভাবে প্রীতির চোখে দেখতেন, তা আমার জন্য গর্বের বিষয় হয়ে আছে। বয়সে তিনি আমার প্রায় বিশ বছরের বড়। তার কর্ম ও খ্যাতির বিস্তৃতি সীমানায় আমাদের সামনে তার শারীরিক অনুপস্থিতি সত্ত্বেও তিনি আমাদের মনে জ্বলজ্বল করবেন।
উল্লেখ্য, ১১ জুন ২০১৮ সালে বিকালে সিরাজদিখান উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়নের পাওয়ার হাউজ কাকালদী মোড়ে দুটি মোটরসাইকেলে করে আসা চারজন বিশাখা প্রকাশনীর মালিক ব্লগার শাহজাহান বাচ্চুকে (৫৫) গুলি করে হত্যা করে। শাহজাহান বাচ্চু ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক। আমাদের বিক্রমপুর নামের একটি অনিয়মিত মাসিক পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছিলেন।