নিজস্ব প্রতিবেদক
কোন নামটি দেবেন? হাড়ফাটা, ডুবি, বুবি, কানাইজু, লটকা, লটকাউ, কিছুয়ান নাকি লটকন? নাম যা-ই হোক, ফলটা রসে টসটসে। দেশি ফল, বর্ষার ফল লটকন। শ্রীনগর বাজার, ফলের দোকান কিংবা ফেরিওয়ালার ঝুড়ি সবখানেই চোখে পড়বে থোকা থোকা এ ফল। হালকা টক ও মিষ্টির মিশ্রণে এর স্বাদটাও ব্যতিক্রম। খাওয়ার পর মুখের ভেতরে খানিকটা কষ কষ লাগে। পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটাই লটকনের ঔষধি গুণ।
শ্রীনগর বাজারের ফল ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, দেশের প্রায় সব অঞ্চলেই কমবেশি লটকন পাওয়া যায়। তবে এর ফলন সবচেয়ে বেশি সিলেট, টাঙ্গাইল, নরসিংদী, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, মানিকগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও গাজীপুর জেলায়।
লটকন ব্যবসায়ী মোঃ জুলহাস বলেন, ‘লটকন গাছে ফুল আসে মার্চ মাসে। ফল পরিপক্ব হতে সময় লেগে যায় চার-পাঁচ মাস। জুন, জুলাই ও আগস্ট মাস জুড়ে বাজারে লটকনের দেখা মেলে। বর্ষা ঋতুর এ ফল, বাজারে থাকবে আরও কিছুদিন। লটকনের খোসা ছাড়ালেই পাবেন দুই থেকে পাঁচটি কোয়া (বীজ)। বীজের গায়ে লাগানো হালকা গোলাপি বা বেগুনি রসাল আঁশটাই খাবার। জাতভেদে লটকনের স্বাদ টক বা মিষ্টি হয়ে থাকে।
আশরাফুল নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘ফলটা আমার বেশ পছন্দের। বাসার অন্যরাও এটি পছন্দ করে। দামটা নাগালের মধ্যেই ১৩০-১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। দেশি ফল হিসেবে লটকনের স্বাদ দারুণ। বাচ্চারা খুব মজা করে খায়, রুচিও বাড়ে অনেকখানি।
শ্রীনগর বাজারে টক মিষ্টি টসটসে লটকন ফল
আগের পোস্ট