নিজস্ব প্রতিবেদক
ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে চোখ ওঠার সমস্যা। প্রায় প্রতিটি ঘরেই কেউ না কেউ এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। গরমে আর বর্ষায় চোখ ওঠার প্রকোপ বাড়ে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটিকে কনজাংটিভাইটিস বা কনজাংটিভার বলা হয়। রোগটি ছোঁয়াচে হওয়ায় দ্রুত অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
শীত মৌসুম আসার আগমুহুর্তে শ্রীনগরে হঠাৎ করে দেখা দিয়েছে চোখ ওঠা রোগ। মানুষের মাঝে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে চোখের এ রোগটি। চোখ লাল, ফোলা, ব্যথা নিয়ে এসব রোগীরা ছুটে আসছে প্রান্তিক মানুষের ভরসার স্বাস্থ্যকেন্দ্র কমিউনিটি ক্লিনিকগুলিতে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা হাসপাতালেও প্রতিদিন চোখ ওঠা রোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। চোখের ড্রপের জন্য ঔষধের দোকানগুলিতে ভীড় করছে সাধারণ রোগীরা। হঠাৎ করে এ রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় চোখের ড্রপের সংকট দেখা দিচ্ছে বলে জানান ফার্মেসি মালিকরা।
ঔষধ বিক্রেতারা বলছেন, চোখের এ রোগটি বেশ কয়েক বছর ধরে খুব একটা দেখা যেতো না। তাই এ জাতীয় ড্রপ দোকানে কম রাখা হতো। হঠাৎ করে এ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ায় যে স্বল্পসংখ্যক ড্রপ ছিলো তা রোগীরা নিয়ে নিচ্ছে।
শ্রীনগর বাজারের ঔষধ বিক্রেতা আমিনুল বলেন, প্রতিদিনই ৮/১০ জন করে চোখের এমন সমস্যা নিয়ে ফার্মেসিতে আসছে। রোগটি সম্পর্কে সচেতনতা না থাকায় অনেকের চোখের ভোগান্তি জটিল হয়ে পড়ছে এবং মুহুর্তেই আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে থাকা অন্যরাও আক্রান্ত হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য অফিসের চিকিৎসকদের গাইডলাইন নিয়ে আমরা এসকল রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসাসহ সচেতনতামূলক পরামর্শ প্রদান করছি।
আমেনা বেগম জানান, দুইদিন আগে হঠাৎ আমি চোখ ওঠা রোগে আক্রান্ত হই। পরে আমার পরিবারের অন্য সদস্যরা একই রোগে আক্রান্ত হয়।
শ্রীনগরে ঘরে ঘরে বাড়ছে চোখ ওঠা রোগের প্রকোপ
আগের পোস্ট