পালং জুসে আছে ভিটামিন এ, বিটা ক্যারোটিন, ক্লোরোফিল, লুটিন। যা ম্যাকুলার সমস্যা কমিয়ে দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। তাই এই শীতে তাজা পালং রসে হয়ে যাবেন তরতাজা। পালংয়ের রস চোখে পক্ষে ভালো, ত্বক সজীব হয়। পালং জুসে কোষ্ঠকাঠিন্য সারায় দ্রুত।
পালং শাকে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, আয়রন, ফাইবারের মতো উপাদান রয়েছে। ভালো-মন্দ রান্নার পাশাপাশি যদি পালংয়ের জুস সকালে খালি পেটে নিয়মিত খাওয়া যায় তাহলে পাঁচ রকমের উপকার পাবেন। তাহলে আজ থেকে ডায়েটে জায়গা করে নিক পালং জুস?
১. পালং-এ আয়রন প্রচুর। তাই যারা অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন তারা নিয়মিত পালং জুস ডায়েটে রাখুন। এতে লোহিত রক্ত কণিকার পরিমাণ বাড়বে। দুর্বলতা কমবে। বিশেষ করে গর্ভবতীরা এই জুস রোজ পান করুন।
২. শীতে পানি কম খাওয়ার ফলে অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন। এই সমস্যা কমবে নিয়মিত পালং জুস খেলে। কারণ, এই জুসে আছে প্রচুর ফাইবার যা সহজে পেট পরিষ্কার করে।
৩. শীতে ত্বক নির্জীব! ক্রিম বা তেল মাসাজ করেও কোনও ফল পাচ্ছেন না! নিয়মিত পালং জুস ডায়েটে থাকলে এই সমস্যাও মিটবে। এর মধ্যে থাকা আয়রন, ভিটামিন, জল, ফাইবার, ভিটামিন আর খনিজ পদার্থ ত্বককে সজীব করে নিমেষে। তাই শীতে ঝলমলে ত্বক পেতে পান করুন পালং জুস।
৪. পালং জুসে আছে ভিটামিন এ, বিটা ক্যারোটিন, ক্লোরোফিল, লুটিন। যা ম্যাকুলার সমস্যা কমিয়ে দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। ম্যাকুলা রেটির একটি অংশ যা ক্ষতিকর সূর্যরশ্মি থেকে চোখকে বাঁচায়। পালং জুস খেলে ম্যাকুলা ডি জেনারেশন থেকে দূরে থাকা যায়।
৫. শরীরে জমে থাকা বিষাক্ত পদার্থ সরাতে সাহায্য করে পালং জুস। প্রস্রাব আর পেট পরিষ্কারের মাধ্যমে ডি-টক্সিফায়েড করে শরীরকে। তাই রোজ সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পালং জুস মাস্ট। অন্তত গোটা শীতজুড়ে।