নিজস্ব প্রতিবেদক
গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান নিয়ে মসজিদে আলোচনা করায় গত শনিবার বাদ আছর মসজিদে প্রবেশ করে ইমামকে মারধরের ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী ও মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. মনিরুজ্জামান জানান, মসজিদের পাশের বাড়ি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্য মো. বাপ্পীর বাড়িতে গত বৃহস্পতিবার গায়ে গলুদের অনুষ্ঠানে সারারাত নাচগান চলে। এই বিষয়টি নিয়ে ইমাম মনিরুজ্জামান মসজিদে আলোচনায় আনলে বাপ্পী ক্ষিপ্ত হয়ে গত শনিবার বিকেলে মসজিদের ভিতরে ইমামকে একা পেয়ে মারধর করে। সন্ধ্যায় ইমাম মনিরুজ্জামান বিষয়টি স্থানীয় ইমাম পরিষদকে অবহিত করলে তারা গত শনিবার রাতে এক দফা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে ইমাম মনিরুজ্জামনকে নিয়ে লৌহজং থানায় যায় এবং বাপ্পীর বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর তাকে লৌহজং সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর প্রতিবাদে গতকাল রোববার সকালে খিদিরপাড়া ইউনিয়ন ইমাম পরিষদের আয়োজনে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত একঘন্টা ব্যাপী লৌহজং-বালিগাঁও সড়কের খিদিরপাড়া বাসস্ট্যান্ডে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে খিদিরপাড়া ইউনিয়ন ইমাম পরিষদের সভাপতি মুফতি ওলিউল্লাহর সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পয়সা দরবার শরীফের পীর সাহেব মো. আহামাদুল্লাহ। বক্তব্য রাখেন লৌহজং থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আলমগীর হোসাইন, ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মো. আনোয়ার হোসেন বেপারী, মাওলানা মো. মোতাহার হোসেন, মাওলানা রওশান আলী ফরিদপুরী, মাওলানা মো. জাহাঙ্গীর আলম বিক্রমপুরী, মাওলানা আব্দুর রহমান, মাওলানা আলমগীর হোসেন, মুফতি আরিফ হাসান, খতিব মিজানুর রহমান, মাওলানা আসাদ, মাওলানা আনোয়ার হোসেন শরীয়তপুরী, মাওলানা আবু সালেহ বিপ্লবী, হাজী মো. মোশারফ হোসেন প্রমুখ। বক্তারা অবিলম্বে দোষী বাপ্পীকে গ্রেফতারের দাবি জানান।
লৌহজংয়ে মসজিদের ইমামের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন
আগের পোস্ট