নিজস্ব প্রতিবেদক
মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে ড্রেজারের মাধ্যমে ফসলী জমি থেকে মাটি কাটা ও ভরাট করার মহোৎসব চলছে। স্থানীয় প্রশাসন জরিমানা করেও থামানো যাচ্ছে না জমি থেকে এই মাটি কাটা ও বালু উত্তোলনের কাজ। প্রশাসনের কোন অনুমতি ছাড়াই জমির শ্রেণী পরিবর্তন করা হচ্ছে। গত মাসে উপজেলার বৌলতলী ইউনিয়নে কৃষিজমি থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে মাটি কেটে বৌলতলী মন্দিরের পাশে ভরাট করার অপরাধে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইলিয়াস শিকদার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দুই ব্যক্তিকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। আবারো একই স্থানে গত ১ সপ্তাহ ধরে প্রভাবশালী ড্রেজার মালিক লিটন ও মনির পুনরায় ড্রেজারের মাধ্যমে কৃষিজমি কেটে ভরাট করছে।
স্থানীয়রা জানান, এই প্রভাবশালী ড্রেজার মালিকরা বিভিন্ন মহল ম্যানেজ করেই ড্রেজার চালায়। আমরা প্রতিবাদ করলে উল্টো নির্যাতনে শিকার হতে হবে।
বৌলতলী ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রফিক মৃধা মুঠোফোন জানান, ড্রেজারে মাটি কাটা ও ভরাট এটা তাদের বিষয় এবং যেহেতু এটা আমার এলাকা তাই কম বেশি তো জানবোই। এর আগে জরিমানা করেছে এটাও জানি এবং এখন আবার ভরাট করছে এটাও দেখছি। আমি ড্রেজার চালাইও না এবং ভরাটও করিনা। এটা তাদের বিষয়। এটা আইনের বিষয়।
জমি থেকে মাটি কাটার বিষয়ে জানতে ড্রেজার মালিক লিটন ও মনির হোসেনকে একাধিকবার মোবাইলে ফোন করলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইলিয়াস শিকদার জানান, কৃষিজমি কেটে মাটি ভরাটের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ জুলাই রাতে উপজেলার বৌলতলী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বৌলতলী মন্দিরের পাশে এবং একই ইউনিয়নের পয়সা পশ্চিমপাড়া এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়। এসময় ড্রেজারের মালিক দুই সহোদর লিটন হোসেন ও মনির হোসেনকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং ড্রেজারের পাইপ কেটে নষ্ট করা হয়।
লৌহজংয়ে বারবার জরিমানা করার পরেও থামছে না অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও মাটিকাটা
আগের পোস্ট