নিজস্ব প্রতিবেদক
মুন্সীগঞ্জে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকেই নামিদামি দোকান, মার্কেট ও বিপনী বিতানগুলোতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জামের সংকট দেখা দেয়। এ সুযোগে ফুটপাতের অসাধু ব্যবসায়ীরা নিম্নমানের মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রি করে চড়া মূল্যে। শুরু থেকে ভোক্তা অধিকার এসব পণ্যের বাজার মনিটরিং করায় কিছুদিন স্বাভাবিক ছিলো বাজার। বর্তমানে নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও নিম্নমানের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিক্রি করছেন ফুটপাতের ক্রেতারা। মার্কেটের দোকানগুলোতে এসব পণ্যের সরবরাহ পর্যাপ্ত না থাকায় বাধ্য হয়ে ফুটপাত থেকে বেশী দামে এসব নিম্নমানের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী কিনে প্রতারিত হচ্ছে ক্রেতা। মার্কেটের দোকানিদের দাবি ভালো পণ্যের দাম তারা পাচ্ছেনা। ফুটপাতের বিক্রেতারা বলছেন, ঢাকা থেকে বেশী দামে কিনে আনতে হয়। এ কারণে বাধ্য হয়ে ক্রেতাদের কাছে দাম বেশী রাখি।
অন্যদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক দোকানি বলেন, বেশী দামি মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রি করলে লাভ কম তাই একটু নিম্নমানেরটাই বিক্রি করছেন তারা। যেগুলো ভালো পণ্য সেগুলোর দাম বেশী রাখছে মার্কেটের দোকানীরা এ নিয়ে ক্রেতাদের রয়েছে অনেক ক্ষোভ। ক্রেতাদের দাবি ভোক্তা অধিকার কিংবা প্রশাসন এসব পণ্যের সঠিক দাম নির্ধারণ করে দিলে তারা সঠিক দামে সঠিক পণ্য কিনতে পারবেন। পাশাপাশি এ বিষয়ে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছে জেলার সচেতন মহল।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ বলেন, ফুটপাত এবং মার্কেটের দোকানীদেরকে নিম্নমানের মাস্ক এবং অনুমোদনবিহীন হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রি না করার জন্য বারবার সতর্ক করা হয়েছে। এরপরও যদি কেউ নিম্নমানের মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রি করে দেশের প্রচলিত আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মুন্সীগঞ্জে নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজারে বাজার সয়লাব
আগের পোস্ট