নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বৃহত্তর মুন্সীগঞ্জ আঞ্চলিক কমিটির সার্বিক সহযোগিতায় গতকাল শনিবার সকালে কমিশনের কার্যালয়ে সালিশী বৈঠকে পারিবারিক অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়। অভিযোগ ও অফিস সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা জেলার মেঘনা উপজেলার মোহাম্মদ গ্রামের সহিদ মিয়ার মেয়ে আমেনার সাথে গত ২৪/৮/২০১৮ইং তারিখে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার উত্তর শাহাপুর গ্রামের আব্দুর রহিম মিয়ার ছেলে জুবায়ের এর সাথে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মোহরানায় ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকে তাদের মধ্যে বনিবনা ছিল না। ইতিমধ্যে তাদের ঘরে পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। নাম আরাফাত বর্তমানে বয়স দেড় বছর। সংসারে অশান্তির কারণে গত ৯ জানুয়ারী ২০২২ বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বৃহত্তর মুন্সীগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয় ভবেরচর সমিতি মার্কেটের ২য় তলায় অভিযোগ দায়ের করেন। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন অভিযোগের ভিত্তিতে উভয়পক্ষকে নোটিশ দায়ের করেন। ২টি ধার্য তারিখে উভয়পক্ষের বক্তব্য, সাক্ষ্যপ্রমাণ, সাক্ষীর প্রদত্ত জবানবন্দীর ভিত্তিতে অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়। সালিশী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বৃহত্তর মুন্সীগঞ্জ আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস এম নাসির উদ্দিন, নির্বাহী সদস্য হান্নান, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন মেঘনা উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, সারোয়ার আহম্মেদ ফরাজী, আব্দুল খালেক মাষ্টার, মেঘনা উপজেলার ইউপি সদস্য বানু মেম্বার, গজারিয়া ইউপি সদস্য জাকির হোসেন, কাজী আশরাফুজ্জামান, কামরুজ্জামান, আলমগীর হোসেনসহ শতাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ অনেকে। বাদীর মোহরানা, ভরনপোষণ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ মোট ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বৃহত্তর মুন্সীগঞ্জ আঞ্চলিক কমিটির সার্বিক সহযোগিতা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সার্বিক সহযোগিতায় পাওনা টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
গজারিয়ায় সালিশী বৈঠকে পাওনা ফিরে পেল অসহায় নারী
আগের পোস্ট