নিজস্ব প্রতিবেদক
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের ৬ জন আহত হয়েছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় গত সোমবার রাতে গজারিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গেল সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের মাথাভাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, মাথাভাঙ্গা গ্রামের মহিন বেপারীর ছেলে জুম্মান (১০) আহমদ আলীর বসতঘরের সামনে সকাল ৭টার দিকে আতশবাজি ফুটানোর সময় আহমদ আলীর ছেলে সুজন নিষেধ করলে মহিন বেপারী ও তার পরিবার লোকজন আহমদ আলীর বসতবাড়িতে গিয়ে সুজনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে সুজন প্রতিবাদ করলে তাকে পিটিয়ে আহত করে। আহমদ আলীর ছেলে সুজনের আর্তচিৎকারে তার মা লাইলি বেগম ও বড় বোন সুরমা (২২) ও ছোট বোন সখি (১৬) ভাইকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে বিল্লাল হোসেনের ছেলে সোহাগ (২৯) গং তার দুই বোনকে শ্লীলতাহানীসহ মাকে বটি দিয়ে মাথায় কোপ দিয়ে জখম করে। ভুক্তভোগী আহত লাইলি বেগম জানান, ঘটনার দিন তিনি ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। এমন সময় হঠাৎ তার ছেলের আর্তচিৎকার শুনে ঘুম থেকে উঠে প্রতিবাদ করলে মহিন গংরা তার উপর হামলা চালিয়ে পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় তার দুই মেয়ে ঠেকাতে গেলে সুরমা ও সখিকে তারা টেনে হিঁচড়ে নিয়ে শ্লীলতাহানী করে। সুরমা আক্তার জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত এবং পিঠে কামড়ে দিয়েছে। আমার শরীরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার এবং ঘরে আলমারি থেকে নগদ দেড় লক্ষ টাকা নিয়ে গেছে। আমার ডায়াবেটিস আক্রান্ত মাকে কুড়াল দিয়ে তারা কোপ দিয়েছে। এ ব্যাপারে মহিন গংদের সাথে কথা বললে লাইলি বেগমের বক্তব্য অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট বলে জানান এবং তাদের পক্ষের রাইসুল ও রূপালী বেগম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছে বলে জানান। তাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ প্রসঙ্গে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো রইছ উদ্দিন জানান, উভয়পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।