নিজস্ব প্রতিবেদক
বিচারের বাণী নীরবে কাঁদে। বিচারপ্রার্থীরা ন্যায়বিচার পাচ্ছে না। বারবার হয়রানির শিকার হচ্ছে হামলাকারী ও দখলদারদের নিকট থেকে। দীর্ঘ বছরেও সমাধান হয়নি সীমানা বিরোধের। দফায় দফায় মামলা-হামলা করে নিঃস্ব করে দিচ্ছে অসহায় মানুষদের। বিচারের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে যেন কোন লাভ হচ্ছে না। হামলা ও দখলকারীদের খুঁটির জোর এতটাই যে তারা বিচারের ফয়সালাকে তোয়াক্কা না করেই বারবার হামলা ও সীমানা দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
এমনই এক ঘটনা ঘটেছে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের হোগলাকান্দি গ্রামের মোজাফ্ফর হোসেনের পরিবারের উপর। ভুক্তভোগী মোজাফ্ফর হোসেনের অভিযোগ, হোগলাকান্দি মৌজাস্থিত সিএস ১৩৮, এসএ ১৮২ ও আরএস ২৬০ খতিয়ানের সিএস ও এস এ ৬৮০ ও আরএস ৬২৫ দাগের রকম নাল ৫৩ শতাংশের অন্দরে ২১.১৬ শতাংশ খরিদ ও ওয়ারিশসূত্রে মালিক হইয়া বসতবাড়ি উত্তোলন করিয়া শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছি। বর্ণিত তফসিলভুক্ত সম্পত্তি নিয়া প্রতিপক্ষ একই গ্রামের শাহ কামাল গংদের সহিত বিরোধের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত, মুন্সীগঞ্জ পিটিশন মামলা নং-২০৬/২০২৩ ১৪৫ ফৌজদারি কার্যবিধি মোতাবেক দায়ের করি। নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উক্ত নালিশী সম্পত্তিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশ রয়েছে। আদালতের নির্দেশ অমান্য করিয়া গত ১৭ আগস্ট দুপুরে আনুমানিক ১২টার দিকে প্রতিপক্ষ মোঃ শাহ কামাল ও তার লোকজন বিরোধীয় সম্পত্তি জবর দখলের উদ্দেশ্যে আমাদের সীমানায় অনধিকার প্রবেশ করিয়া ভাংচুর করে এবং অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করিতে থাকে। আমি ও আমার বড় ভাই অলি হোসেন ও বোন সালেহা বেগম, মাকসুদা আক্তার তাদের কাজে বাধা প্রদান করিলে তারা অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করিতে থাকে এবং বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকিসহ মারধরের হুমকি ধমকি প্রদান করে। বিবাদীগণ যেকোন সময় বসতঘর উত্তোলন করিয়া জায়গা-সম্পত্তি জবর দখল করিতে পারে বলিয়া আশঙ্কা করিতেছি।
অভিযুক্ত শাহ কামালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সম্পত্তি জবর দখলের উদ্দেশ্যে ভাংচুর এবং কাউকে গালমন্দ করিনি। আমাদের নামে মিথ্যা অপবাদ দেয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে গজারিয়া থানার ডিউটি অফিসার এস আই সেকান্দর হোসেন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গজারিয়ায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জায়গা দখলের চেষ্টা
আগের পোস্ট