নিজস্ব প্রতিবেদক
গজারিয়ার দুই মেধাবী মুখ, দুই বোন সানজিদা আহমেদ চৈতি ও জান্নাতুল ফেরদোসী রিয়া স্কলারশিপ পেয়ে ব্যারিস্টারী ও আর্কিটেকচার পড়তে ইংল্যান্ডে গিয়েছেন। দুই বোনের জন্য দোয়া চেয়েছেন তাদের বাবা-মা। বাবা গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের চর বাউশিয়ার (অবঃ) সেনা কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ এবং মা আকলিমা আক্তার শান্তা, যিনি একজন নারী উদ্যোক্তা, সিইও এস আর ট্রেডিং। তিনি উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়নের মুদারকান্দী নিবাসী আবুল কাসেম এর মেয়ে।
জানা যায়, বড় মেয়ে সানজিদা আহমেদ চৈতি ব্যারিস্টারী পড়তে স্কলারশিপ নিয়ে ইংল্যান্ডের ব্রিস্টল ইউনিভার্সিটি গিয়েছেন। চৈতি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন এর বাংলাদেশ শাখা হতে এলএলবি শেষ করে ফাইনাল ইয়ারে পরীক্ষা দিতে বর্তমানে ইংল্যান্ডে রয়েছেন। চৈতি শিক্ষা জীবনে নার্সারী-অষ্টম শ্রেণী ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, এসএসসি মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজ, এইচএসসি বীরশ্রেষ্ঠ লেঃ শহীদ আনোয়ার গার্লস কলেজ, এলএলবি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন (বাংলাদেশ শাখায়) পড়েছে। সে পড়ালেখার পাশাপাশি সংস্কৃতিমনা। দেশের বড় জাতীয় পতাকা তৈরিতে অংশগ্রহণ করে গিনেস ওয়ার্ল্ড বুক সার্টিফিকেটও পেয়েছে।
ছোট মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসী রিয়া আর্কিটেকচার পড়তে স্কলারশিপ নিয়ে অক্সফোর্ড এফিলেট ডেমোনফোর্ট ইউনিভার্সিটিতে যায় ২০২২ সালে। রিয়া ক্যামব্রিজ থেকে ও লেভেলে ৮টা সাবজেক্টে ৫টাতে ওয়ার্ল্ড হাইস্ট নাম্বার পায় এবং এ লেভেলে ৫টা সাবজেক্টে ৪টাতে ওয়ার্ল্ড হাইস্ট নাম্বার পেয়ে ডেইলি স্টার এওয়ার্ড পায়। প্রথম বর্ষ পরীক্ষায় সারা ইংল্যান্ডে আর্কিটেকচার বিষয়ে সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে গোল্ডেন এওয়ার্ড পায় এবং ফাস্ট ইয়ারে টপার হওয়াতে ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডে যাওয়ার সুযোগ পায়। রিয়ার শিক্ষাজীবনে নার্সারী-অষ্টম শ্রেণি ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, ও লেভেল সিডনি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ, এ লেভেল ক্যাপ্সটন স্কুল এন্ড কলেজে পড়েছে। রিয়া প্রতিটি বোর্ড পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে স্কলারশিপ পায়।
দুই বোন যেন শিক্ষাজীবন সফলতার সাথে শেষ করতে পারে সেজন্য পরিচিতজন, শুভাকাক্সক্ষীসহ সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন তারা বাবা-মা। তারা যেন আগামী দিনে গজারিয়ার মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে।